মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলের মাইক্রোবাস চিনতাই ও চালকে হত্যার দায়ে কুমিলা জেলার বরুড়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সহ ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে দ্রত বিচার আদালত। গত বুধবার সিলেট দ্রত বিচার আদালতের বিচারক দিলপি কুমার দেবনাথ এ রায় দেন। আদালত দন্ডের পাশাপাশি আসামীদের প্রত্যাকে ২০ হাজার টাকা জড়িমানা অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদন্ড প্রদান করা হয়। রায়ে চার জনের অপরাধ প্রমান করতে না পারায় তাদের বেকুসর খালাস দেওয়া হয়। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন কুমিলার ববুড়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলেমান পাটোয়ারি মন্টি, একই উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যানের সহযোগি আজম খান, জোবায়ের হোসেন, শাহ আলম সুমন,শামীম মিয়া, জহুর আলী প্রকাশ কালু, রোমান ওরফে রুবেল, আলা উদ্দিন, মো. সালাউদ্দিন ও মো, শহাজাহান শ্রীমঙ্গলের ড্রাইভার আব্দুস শহীদ। রায়ের সময় ভাইস চেয়ারম্যান মন্টি, আজম খান, জোবায়ের হোসেন, আলা উদ্দিন, শাহ আলম সুমন পলাতক রয়েছে।
মামলার সুত্রে জানাযায়,২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে রাতে শ্রীমঙ্গল মাইক্রোবাস ষ্ট্যান্ড থেকে ঢাকা যাওয়ার কথা বলে ১৫ সদস্যের একটি চিনতাইকারি দল হাইয়েস চালক মহসিন কে ভাড়া করা হয়। এর পর থেকে তাকে খুজে পাওয়া যায়নি। ৬ অক্টোম্বর ১০দিন পর হবিগঞ্জ জেরার চুনারুঘাট থানার রঘনন্দন পুর রাবার বাগানে চালক মহসিনের পচা গলা লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে এঘটনায় চুনারুঘাট থানার এসআই সাজ্জাদুর রহমান বাদি হয়ে মামলা করলে এক পর্যায়ে সিলেট দ্রত বিচার আদালতে মামলাটি হস্তান্তর করা হলে বুধবার আদালত এ রায় দেন। এঘটনায় আদালতে মোট ৩৫ জন সাক্ষি তাদের সাক্ষ প্রদান করেন। শনিবার নিহতের পিতা ইউনুস মিয়া সাংবাদিকদের জানান, তিনি প্রত্যাক আসামীদের ফাসিঁ দাবি জানিয়েছিলেন। তিনি আরো বলেন তার ছেলেকে সন্ত্রীরা যে ভাবে হত্যা করেছে তাই তিনিও তাদের সবার ফাঁসি আশা করেছিলেন। তবে তিনি রায়ে খুশি, এখন পলাতক আসামীদের গ্রেফতার করে শাস্থি কার্যকর করার আহবান জানান।









0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন