মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া,সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুরের পাটলাই নদীতে চাঁদাবাজদের হাতে দুইদিন যাবত দেড়শতাধিক কয়লা বোঝাই ইঞ্জিনের নৌকা আটক থাকার পর গতকাল বুধবার সকাল ১১টায় সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নজরুল হোসেনের নির্দেশে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। সেই সাথে পাটলাই নদী পথের চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি ওসিকে আদেশ দিয়েছেন। এব্যাপারে বিপাশা নৌ-পরিবহণের মাঝি ইসমাইল মিয়া,মিশু-সুমন পরিবহণের মাঝি মুছা মিয়া,হাতেম পরিবহণের মাঝি আবু লাল,যুবরাজ-বন্যা পরিবহণের মাঝি ফাইজু মিয়া বলেন,বিজিবি ক্যাম্পের নামে দুধের আউটা গ্রামের জিয়াউর রহমান ও শহীদ মিয়া প্রতি ইঞ্জিনের নৌকা ও কার্গো থেকে ৩শ থেকে ১২শত টাকা,দেবত্তর ও ওয়াকফ স্ট্রেটের নামে সুনামগঞ্জ জেলা সদরের কামরুজামান জাপ্পু ৫শ থেকে ১৫শ টাকা,খাস কালেকশনের নামে শ্রীপুর গ্রামের আকবর আলীকে ৬শ থেকে ১হাজার টাকা হারে চাঁদা না দেয়ায় আমাদের কয়লা বোঝাই নৌকাগুলো আটক করে রেখেছিল। এছাড়াও মন্দিআতা,আহসানপুর,সানবাড়িসহ আরো বিভিন্নস্থানে একই ভাবে চাঁদা দিতে হয়। কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর নৌকা মালিক সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন,চাঁদাবাজদের কথামতো চাঁদা না দিলে নৌকা আটক রাখাসহ মাঝিদের মারধর করে মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এব্যাপারে আমরা বারবার প্রশাসনে দ্বারস্থ হলেও সহযোগীতা পাইনা। গতকাল বুধবার সকালে আটক থাকা নৌকাগুলো এসপি সারের নির্দেশে ছেড়ে দেয়া হলেও শুধুমাত্র তাহিরপুরের বড়ছড়া কয়লা আমদানী কারক সমিতির সভাপতি আলখাছ উদ্দিন খন্দকারের ভাতিজার বিয়ের কারণে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কাজ পিছিয়ে গেছে। তাহিরপুর থানার ওসি মোল্লা মনির হোসেন এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,এসপি সারের নিদের্শে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।
(0)
এস,এম, জহুরুল ইসলাম
via Daily Surmar Dak http://surmardak.com/2013/10/31/4586.html/








0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন