এসপি বরাবরে অভিযোগ
কোম্পানীগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীকে ছেড়ে দিয়ে
রেস্তোরা কর্মচারীদের গ্রেফতার-মামলা
কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে পুলিশের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ীকে ছেড়ে দিয়ে নিরপরাধ লোকদের গ্রেফতার ও মামলা দায়েরে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার সিলেটের পুলিশ সুপারের কাছে থানার তিন কর্মকর্তাসহ চার জনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন স্থানীয় টুকেরবাজারের বর্তমান বাসিন্দা লাল মিয়ার স্ত্রী শরীফা বেগম। অভিযুক্তরা হলেন থানার এসআই মো. কাজী রেজাউল হক, এএসআই সুকেশ চন্দ্র পাল, এএসআই দেলোয়ার হোসেন ও কনষ্টেবল তাজুল ইসলাম (কং ১৪৫)।
অভিযোগে প্রকাশ,কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই মো. কাজী রেজাউল হক, এএসআই সুকেশ চন্দ্র পাল ও এএসআই দেলোয়ার হোসেন গত ২৩ অক্টোবর সন্ধ্যারাতে অভিযানে যান থানার টুকের গাওঁয়ের মাদক সম্রাট মোহন মিয়ার বাড়িতে। এ সময় টুকেরবাজারের নবীন রেঁস্তোরার কারিগর লাল মিয়া ও খাজা হোটেলের মেছিয়ার দিলীপ তালুকদার কাজ শেষে বেড়াতে রাস্তায় বের হন। অভিযানকালে পুলিশ মোহন মিয়ার বাড়ি থেকে তার শ্যালক মহিন আলমকে (২৫) মাদকসহ হাতেনাতে আটক করে। পরে ১০হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেয়। অভিযান শেষে পুলিশদল বের হয়ে লোক দেখানোর জন্য গ্রামের রাস্তা থেকে রেস্তোরার কারিগর লাল মিয়া ও মেছিয়ার দিলীপ তালুকদার কে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে অভিযানকারী কর্মকতারা থানার ক্যাশিয়ার বলে পরিচিত কনষ্টেবল তাজুল ইসলামের মাধ্যমে ধৃতদের ছেড়ে দেয়ার বিনিময়ে ১০হাজার টাকা করে দাবি করেন। দাবিমত টাকা দিতে না পারায় উদ্ধার হওয়া মাদকের একটি অংশ দিয়ে আটক দেখিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা (নং-১৯ (১০)১৩) দায়ের করা হয়। থানার এসআই মো. কাজী রেজাউল হক বাদী হয়ে এ মামলা করেন। মামলায় মাদকসহ ধৃত মহিন আলমকে আসামী না করে তাকে জব্ধ তালিকার সাক্ষী করে রেহাই দেয়া হয়। পুলিশের এহেন চাঁদাবাজি ও আসামীকে স্বাক্ষী বানিয়ে নিরপরাধ লোকদের আসামী ও গ্রেফতারের ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জের জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে । এলাকাবাসীর অভিযোগ থানা পুলিশ দাগী অপরাধী ও মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারের বদলে তাদের কাছ থেকে বখরা নেয় এবং প্রত্যহ নিরপরাধ লোকদের আটক ও সাজানো মামলা দিয়ে হয়রানী করছে। থানার শান্তিকামী মানুষ পুলিশের এহেন গ্রেফতার ও মামলা বানিজ্যের কারনে জিম্মি হয়ে পড়েছেন। আবেদনে শরীফা বেগম অন্যায়ভাবে আটক তার স্বামীকে সাজানো মামলার দায় থেকে আশু অব্যাহতি ও উল্লেখিত দুর্নীতিবাজ পুলিশ কর্মকর্তা-কনষ্টেবলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান। দরখাস্তের অনুলিপি সিলেট রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজিসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দায়িত্বশীল মহলে প্রেরন করা হয়।
কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সালেহ উদ্দিন মাদকসহ ২জনকে গ্রেফতার ও মামলা দায়েরের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনা সাজানো বলে তিনি অবগত নন। এ রকম হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি ।
(6)
এস,এম, জহুরুল ইসলাম
via Daily Surmar Dak http://surmardak.com/2013/10/30/4547.html/








0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন